জানুন স্বাস্থ্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
স্বাস্থ্য মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে। নিচে স্বাস্থ্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো।
স্বাস্থ্য কি এবং স্বাস্থ্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
মানবজীবনে সম্পূর্ণভাবে মানসিক, শারিরিক, সুস্থভাবে পরিচালনা করাই হলো স্বাস্থ্য। স্বাস্থ্য মানবজীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সকলেই চাই এই সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে। এজন্য প্রত্যেক মানুষের সুস্বাস্থ্য থাকাটা খুবই জরুরি। মানবজীবন কে উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে পৌছানোর জন্য প্রত্যেককে স্বাস্থ্যের প্রতি অনেক যন্তবান হওয়া প্রয়োজন।
স্বাস্থ্য কেন প্রয়োজন?
জীবনে চলার পথে সকল বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করতে মানুষের স্বাস্থ্য ঠিক রাখা একান্ত প্রয়োজন। একজন সুস্থ্য স্বাভাবিক মানুষ যেকোনো রকম সমস্যা মোকাবিলা করতে সদা প্রস্তুত থাকে। প্রবাদে আছে “স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল । সুস্থ মানুষ অনেক পরিশ্রম করতে পারে। শরীর সুস্থ থাকলে অনেক কঠিন কাজও সহজ হয়ে যায়।
মানুষ যখন বেশি বেশি পরিশ্রম করতে পারবে তখন মানুষ অনেক উপার্জন করতে পারবে। বিশেষজ্ঞের মতে ” একজন অসুস্থ ধনী ব্যক্তির চেয়ে একজন সুস্থ গরীব ব্যক্তি অনেক বেশি সুখী।সকল মানুষই চায় তাদের শরীর সুস্থ থাকুক এজন্য তাদের শরীর সুস্থ রাখা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। স্বাস্থ্য ভালো থাকলে মানুষ তার আবেগ ও অনুভূতিগুলো সঠিক রাখতে পারবে।যার ফলে মানুষ নিজে আত্মনির্ভরশীল হতে পারবে।
স্বাস্থ্যের প্রকারভেদ।
স্বাস্থ্য প্রধানত তিন প্রকার। যথা,১.শারিরিক ২.মানসিক ৩.সামাজিক স্বাস্থ্য। মানবজীবনে এই তিন প্রকার স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয় অপরিসীম।
স্বাস্থ্য কর জীবনযাপনের জন্য শারিরিক, মানসিক এবং সামাজিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য বজায় গুরুত্ব অপরিহার্য।
শারিরিক স্বাস্থ্য।
মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কিভাবে কাজ করে এবং কতটা ভালো কাজ করে তাই হলো শারিরিক স্বাস্থ্য।
মানুষের শরীরের আকার, কার্যকলাপ,বয়স ও মনমানসিকতার উপর নির্ভর করে শারিরিক স্বাস্থ্য।
একটা মানুষের শারিরিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হলে পর্যাপ্ত ঘুম, শারিরিক ব্যায়াম এবং বিশুদ্ধ পুষ্টিকর খাবারের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
মানসিক স্বাস্থ্য।
মানসিক স্বাস্থ্য হলো মনস্তাত্ত্বিক, অনুভূতি ও জ্ঞানবুদ্ধি কাজে লাগিয়ে মানসিকভাবে সুস্থ থাকার মূল বিষয়। world Health organisation এর তথ্য অনুযায়ী মানসিক স্বাস্থ্য বলতে মানসিক ভাবে সুস্থ থেকে কোনো মানুষের ক্ষমতা ও দক্ষতাকে বোঝায়।মানুষ অতিরিক্ত চাপমুক্ত থেকে সহজ সরল জীবন যাপন করাই হলো মানসিক স্বাস্থ্যের কাজ।মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক থাকলে মানুষের মন থাকে সজীব, যার ফলপ্রসূভাবে মানুষ তার স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারে।
এটি সঠিক থাকলে মানুষ দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সঠিক সময়ে সঠিক কাজটা করতে পারে।
মানুষের শরীর ও মন একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত তাই শরীরের সাথে মানসিকভাবে নিজেকে সুস্থ রাখতে হবে।